রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) দপ্তরে মজুরি ভিত্তিক অফিস সহায়ক হিসেবে সদ্য যোগ দেওয়া এক কর্মচারীর চাকরি নিয়ে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ওই কর্মচারী নিজেই চাকরির জন্য প্রায় ১০ লাখ টাকা মিট হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাম রাব্বানী নামে ওই ব্যক্তি গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) দপ্তরে অফিস সহায়ক পদে যোগদান করেন। তিনি রাজশাহী নগরীর কাটাখালি এলাকার কুখুন্ডি গ্রামের বাসিন্দা।
গোলাম রাব্বানী স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। তিনি হরিয়ান ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এলাকার সিনিয়র নেতারা আমাকে যুবলীগের ওই দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তবে এখন আর রাজনীতি করি না।
চাকরি পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম রাব্বানী দাবি করেন, চাকরির জন্য মোট ১০ লাখ টাকা লেনদেনের কথা হয়েছে। কিছু টাকা দিয়েছি, চাকরি পারমেন্ট হলে বাকি টাকা দেব। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো ব্যক্তি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নাম প্রকাশ করেননি।
এদিকে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধ্যাপক মো. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, তার দপ্তরে কর্মীর প্রয়োজন ছিল। সে কারণে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে জনবলের চাহিদা পাঠান।
তিনি বলেন, আমার দপ্তরে লোকের প্রয়োজন ছিল, তাই চাহিদা দিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে নিয়োগ দিয়েছে। তবে এটি স্থায়ী পদ নয়, মজুরি ভিত্তিক ডেইলি বেসিসে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তবে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাম রাব্বানী নামে ওই ব্যক্তি গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) দপ্তরে অফিস সহায়ক পদে যোগদান করেন। তিনি রাজশাহী নগরীর কাটাখালি এলাকার কুখুন্ডি গ্রামের বাসিন্দা।
গোলাম রাব্বানী স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। তিনি হরিয়ান ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এলাকার সিনিয়র নেতারা আমাকে যুবলীগের ওই দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তবে এখন আর রাজনীতি করি না।
চাকরি পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম রাব্বানী দাবি করেন, চাকরির জন্য মোট ১০ লাখ টাকা লেনদেনের কথা হয়েছে। কিছু টাকা দিয়েছি, চাকরি পারমেন্ট হলে বাকি টাকা দেব। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো ব্যক্তি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নাম প্রকাশ করেননি।
এদিকে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধ্যাপক মো. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, তার দপ্তরে কর্মীর প্রয়োজন ছিল। সে কারণে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে জনবলের চাহিদা পাঠান।
তিনি বলেন, আমার দপ্তরে লোকের প্রয়োজন ছিল, তাই চাহিদা দিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে নিয়োগ দিয়েছে। তবে এটি স্থায়ী পদ নয়, মজুরি ভিত্তিক ডেইলি বেসিসে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তবে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক